চিফ মাউজার টু দ্য ক্যাবিনেট অফিস
| চিফ মাউজার টু দ্য ক্যাবিনেট অফিস | |
|---|---|
| যুক্তরাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ক্যাবিনেট অফিস | |
| বাসভবন | ১০ ডাউনিং স্ট্রিট |
| নিয়োগকর্তা | যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী |
| মেয়াদকাল | কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই; অবসর বা মৃত্যুর পর শেষ হয় |
| সর্বপ্রথম | কার্ডিনাল উলসির বিড়াল |
| গঠন | আনু. ১৫১৫ উপাধিটি ১৯৯৭ সালের দিকে প্রথম ব্যবহৃত হয়[১] |
| ওয়েবসাইট | টেমপ্লেট:Oweb |

চিফ মাউজার টু দ্য ক্যাবিনেট অফিস[ক] হলো লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও কার্যালয়ের দাপ্তরিক আবাসিক বিড়ালের উপাধি। ষোড়শ শতাব্দী থেকে ব্রিটিশ সরকারে ইঁদুরশিকারি ও পোষা প্রাণী হিসেবে একটি আবাসিক বিড়াল রাখার প্রথা রয়েছে, যদিও আধুনিক নথিপত্রে এই প্রথা শুধুমাত্র ১৯২০-এর দশক থেকে পাওয়া যায়। ডাউনিং স্ট্রিটে অন্যান্য অনেক বিড়াল দায়িত্ব পালন করলেও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে চিফ মাউজার বা প্রধান ইঁদুরশিকারি উপাধি পাওয়া প্রথম বিড়াল হলো ল্যারি। ল্যারি যে ২০১১ সালে এই উপাধি লাভ করে। অন্যান্য বিড়ালদের এই উপাধিটি সাধারণত ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো ভালোবেসে প্রদান করেছিল। প্রায়শই কৌতুকচ্ছলে এই বিড়ালদের সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সাথে জড়িত প্রকৃত কর্মচারী হিসেবে চিত্রিত করা হয়। ২০০৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, চিফ মাউজারের প্রতি ভোটারদের ধারণা সম্পূর্ণরূপে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে নয়।[৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ইংরেজ সরকারে বিড়াল বসবাসের প্রমাণ অষ্টম হেনরির শাসনামল পর্যন্ত পাওয়া যায়,[৬] যখন কার্ডিনাল টমাস উলসি লর্ড চ্যান্সেলর হিসেবে তার বিচারিক দায়িত্ব পালনের সময় তার বিড়ালকে পাশে রাখতেন।[৭] তবে, তথ্য অধিকার আইন ২০০০-এর অধীনে ২০০৫ সালের ৪ জানুয়ারি উন্মুক্ত করা দাপ্তরিক নথিপত্র কেবল ১৯২৯ সালের ৩ জুন পর্যন্তই পাওয়া যায়।[৮][৯] তখন ট্রেজারির এ.ই. বানহাম অফিস কিপারকে "একটি দক্ষ বিড়ালের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য খুচরা নগদ থেকে দৈনিক ১ পেনি[খ] ব্যয়ের অনুমোদন দেন"।[১০] ১৯৩২ সালের এপ্রিলে এই ভাতা বাড়িয়ে সপ্তাহে ১ শিলিং ৬ পেনি[গ] (১৮ পেনি) করা হয় (যা দৈনিক ২.৫৭ পেনির সামান্য বেশি)। একবিংশ শতাব্দীর মধ্যে মাউজারের বাৎসরিক খরচ দাঁড়ায় ১০০ পাউন্ড।[১১] বিড়ালগুলো অপরিহার্যভাবে প্রধানমন্ত্রীর মালিকানাধীন নয় এবং চিফ মাউজারের কার্যকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যকালের সাথে খুব কমই মিলে থাকে।[১২] ডাউনিং স্ট্রিটে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী বিড়াল হলো পিটার ৩, যে পাঁচজন ভিন্ন ভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে ১৬ বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছে: ক্লিমেন্ট অ্যাটলি, উইনস্টন চার্চিল, অ্যান্টনি ইডেন, হ্যারল্ড ম্যাকমিলান এবং অ্যালেক ডগলাস-হিউম।[৮]
২০১১ সাল থেকে এই পদে বহাল রয়েছে ল্যারি,[১৩] যাকে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপাধি দেওয়া হয়।[১][১৪] পূর্ববর্তী দায়িত্বপালনকারী সিবিল ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে বিদায় নেয়। সিবিল ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তার দায়িত্ব শুরু করেছিল এবং ১৯৯৭ সালে তার পূর্বসূরি হামফ্রির অবসরের পর দশ বছরের মধ্যে প্রথম মাউজার ছিল। সিবিলের মালিক ছিলেন তৎকালীন চ্যান্সেলর অফ দি এক্সচেকার অ্যালিস্টায়ার ডার্লিং, যিনি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে বসবাস করতেন, কারণ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন অপেক্ষাকৃত বড় ১১ ডাউনিং স্ট্রিটে থাকতেন।[১৫][১৬] জানা যায় যে সিবিল লন্ডনে স্থায়ী হয়নি এবং তাকে স্কটল্যান্ডে ডার্লিং পরিবারের এক বন্ধুর কাছে বসবাসের জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছিল। সিবিল ২০০৯ সালের ২৭ জুলাই মারা যায়।[১৭][১৮]
২০১১ সালের জানুয়ারিতে ডাউনিং স্ট্রিটে ইঁদুর দেখা যায়; আইটিএন-এর মতে, "একটি টিভি সংবাদ প্রতিবেদনের সময় দ্বিতীয়বারের মতো ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সিঁড়ি দিয়ে ইঁদুরকে ছুটে যেতে দেখা যায়"।[১৯] সেই সময় কোনো চিফ মাউজার না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানান যে সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো বিড়াল আনার "পরিকল্পনা নেই";[২০] তবে পরদিন সংবাদপত্রগুলো প্রতিবেদন করে যে মুখপাত্র ডাউনিং স্ট্রিটের ভেতরে একটি "বিড়াল-পন্থী উপদলের" কথা উল্লেখ করেছেন, যার ফলে জল্পনা শুরু হয় যে সমস্যা মোকাবেলায় সত্যিই কোনো প্রতিস্থাপক আনা হতে পারে।[২০] ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে, সমস্যা সমাধানের জন্য "ল্যারি" নামের একটি বিড়াল আনা হয়েছে।[২১] লন্ডন ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড প্রতিবেদন করে যে, ব্যাটারসি ডগস অ্যান্ড ক্যাটস হোম-এর বিড়ালদের মধ্য থেকে ডেভিড ক্যামেরন ও তার পরিবার এই বিড়ালটিকে নির্বাচিত করেছেন।[২১]
অতীতে চিফ মাউজারদের কার্যকাল একে অপরের সাথে সমাপতিত হয়েছে বা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়েছে, যদিও এই পদটি দীর্ঘ সময়ের জন্য শূন্যও থেকেছে এবং থাকতে পারে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত একমাত্র চিফ মাউজার হলো ল্যারি।[১৪]
দলীয় আনুগত্যের গবেষণা
[সম্পাদনা]২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রবার্ট ফোর্ড ডাউনিং স্ট্রিটের বিড়ালদের প্রতি দলীয় প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত একটি ইউগভ জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মার্গারেট থ্যাচার কর্তৃক নিযুক্ত চিফ মাউজার হামফ্রির একটি ছবি দেখানো হয় এবং বলা হয় যে, সে হয় থ্যাচারের বিড়াল অথবা সে টনি ব্লেয়ারের বিড়াল। বিড়ালটির প্রতি অনুরাগ দলীয় ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে: কনজারভেটিভ ভোটাররা বিড়ালটিকে তখন অনেক বেশি পছন্দ করেছিলেন যখন তাদের বলা হয়েছিল এটি থ্যাচারের এবং লেবার ভোটাররা তখন অনেক বেশি পছন্দ করেছিলেন যখন তাদের বলা হয়েছিল এটি ব্লেয়ারের। ফোর্ড সিদ্ধান্তে আসেন যে, একজন রাজনীতিবিদ যা কিছুই করুন না কেন, তা যত তুচ্ছই হোক, দলীয় আনুগত্য তার প্রতি প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, যা মনোবিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ করা হ্যালো ইফেক্ট (এবং এর বিপরীত "ফর্কড টেইল ইফেক্ট")-এর অনুরূপ।[৫]
চিফ মাউজারদের তালিকা
[সম্পাদনা]| নাম | কার্যকাল শুরু | কার্যকাল শেষ | প্রধানমন্ত্রী(গণ) | সূত্র |
|---|---|---|---|---|
| রুফাস |
১৯২৪ | আনু. ১৯৩০[২৩] | রামসে ম্যাকডোনাল্ড | [২৪] |
| পিটার | ১৯২৯[ঘ] | ১৯৪৬[৮] | স্ট্যানলি বল্ডউইন, রামসে ম্যাকডোনাল্ড, নেভিল চ্যাম্বারলেইন, উইনস্টন চার্চিল, ক্লিমেন্ট অ্যাটলি | [৮][১২] |
| বব (পরবর্তীতে চার্চিল কর্তৃক "মিউনিখ মাউজার" ডাকনাম দেওয়া হয়) |
১৯৩৭–৪০ | ১৯৪৩ | নেভিল চ্যাম্বারলেইন, উইনস্টন চার্চিল | [২৫][২৬] |
| নেলসন | ১৯৪০-এর দশক | উইনস্টন চার্চিল | [২৬][২৭] | |
| পিটার ২ | ১৯৪৬ | ১৯৪৭ | ক্লিমেন্ট অ্যাটলি | [৮] |
| পিটার ৩ | ১৯৪৭ | ১৯৬৪ | ক্লিমেন্ট অ্যাটলি, উইনস্টন চার্চিল, অ্যান্টনি ইডেন, হ্যারল্ড ম্যাকমিলান, অ্যালেক ডগলাস-হিউম | [৮] |
| পেটা | ১৯৬৪ | আনু. ১৯৭৬ | অ্যালেক ডগলাস-হিউম, হ্যারল্ড উইলসন, এডওয়ার্ড হিথ | [৮] |
| উইলবারফোর্স | ১৯৭৩ | ১৯৮৭ | এডওয়ার্ড হিথ, হ্যারল্ড উইলসন, জিম ক্যালাহান, মার্গারেট থ্যাচার | [২৮][২৯] |
| হামফ্রি | ১৯৮৯ | ১৯৯৭ | মার্গারেট থ্যাচার, জন মেজর, টনি ব্লেয়ার | [৩০] |
| সিবিল | ২০০৭ | ২০০৯ | গর্ডন ব্রাউন | [১৬][১৭][৩১] |
| ল্যারি | ২০১১ | বর্তমান | ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক, কিয়ার স্টার্মার | [৩২] |
| ফ্রেইয়া | ২০১২ | ২০১৪ | ডেভিড ক্যামেরন | [৩৩] |
টাইমলাইন
[সম্পাদনা]
টীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Purr-fect ending fur Humphrey!"। BBC News। ২৫ নভেম্বর ১৯৯৭। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Home Office cat history revealed"। BBC News। ৪ জানুয়ারি ২০০৫। ৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "100 p.c. income rise for Home Office cat—and it's official"। Liverpool Daily Post। ৬ মে ১৯৬৪। পৃ. ৬। ১২ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৩।
- ↑ "No mice attend: British bury 'Home Office' cat"। The Decatur Daily Review। Associated Press। ১৪ মার্চ ১৯৬৪। পৃ. ৮। ১২ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২৩।
- 1 2 Ford, Robert (২০০৪)। "Of mousers and men: how politics colours everything we see"। Sex, Lies and the Ballot Box: 50 Things You Need To Know About British Elections। London: Biteback Publishing। আইএসবিএন ১৮৪৯৫৪৮২৫০।
- ↑ Davies, Caroline (২৪ নভেম্বর ১৯৯৭)। "More questions over how No 10 handled the kitty"। The Telegraph। ৫ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ Van Vechten, Carl (১৯২২)। "The Cat and the Law"। The Tiger in the House। Alfred A. Knopf। ১২ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২২ – Bartleby.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 4 5 6 7 "Home Office cat history revealed"। BBC News। ৪ জানুয়ারি ২০০৫। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "The official Home Office cat"। The National Archives। ১৯২৯–১৯৭৬। ৬ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Tale of Home Office cat"। Metro। Associated Newspapers। ৪ জানুয়ারি ২০০৫। ১৪ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Millward, David (১৫ মার্চ ২০০৫)। "Humphrey... the Downing Street dossier"। The Daily Telegraph। ১৭ মার্চ ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- 1 2 Fenton, Ben (৪ জানুয়ারি ২০০৫)। "Cats that left a mark in the corridors of power"। The Daily Telegraph। ২৩ মে ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ Kraemer, Daniel; Sleator, Laurence (২৪ জুলাই ২০১৯)। "The new PM's first job: Impress the cat"। BBC। জুলাই ২৪, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৪, ২০১৯।
- 1 2 "Larry, Chief Mouser to the Cabinet Office"। 10 Downing Street। ৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "No. 10 has its first cat since Humphrey"। Reuters। ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৭। ১৩ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- 1 2 Nick, Assinder (১২ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "No 10 gets new feline first lady"। BBC News। ১১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- 1 2 Crichton, Torcuil (২৯ জুলাই ২০০৯)। "Darling's cat Sybil dies after a short illness"। The Herald। ২ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ McSmith, Andy (২৯ জুলাই ২০০৯)। "Farewell to the original New Labour cat"। The Independent। ৩০ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Another rat spotted on steps of Number 10"। ITN। MSN। ২৪ জানুয়ারি ২০১১। ৪ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- 1 2 ""Pro-cat faction" urges Downing Street rat rethink"। BBC News। ২৫ জানুয়ারি ২০১১। ২৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- 1 2 Woodhouse, Craig (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Larry the tabby lands No10 job as rat catcher"। London Evening Standard। ৪ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Larry the cat joins David Cameron in Downing Street"। BBC.com। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৯।
During the 1920s, Labour Prime Minister Ramsay MacDonald's cat - a renowned rat-catcher - had the rather regal title of Rufus of England, but was nicknamed "Treasury Bill".
- 1 2 "The Cat that Looked at a Chancellor"। National Library of Australia। Sunday Mail (Adelaide)। ৫ জুলাই ১৯৩০। ৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Campbell, Mel (১৯ মে ২০১০)। "'Miaow, Prime Minister': the bureaucats of Downing Street"। Crikey। ৩১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০১১।(সদস্যতা প্রয়োজনীয়)
- ↑ Irving, David (২০০১)। Churchill's War Volume II: Triumph in Adversity। Focal Point Publications। পৃ. ৮৩৩। আইএসবিএন ১-৮৭২১৯৭-১৫-৯।
- 1 2 "Riddles, Mysteries, Enigmas"। Finest Hour (110)। The Churchill Centre। বসন্ত ২০০১।
- ↑ "Riddles, Mysteries, Enigmas"। Finest Hour (109)। The Churchill Centre। শীতকাল ২০০০–২০০১।
- ↑ Roberts, Patrick। "Wilberforce"। Purr 'n' Fur: Famous Felines। ৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Associated Press (২০ মে ১৯৮৮)। "Wilberforce the Cat, Mouser to 4 British Leaders, Dead at 15"। Los Angeles Times। ৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৯।
- ↑ "Humphrey the Cat" (পিডিএফ)। Cabinet Office। ৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০০৮।
- ↑ "Morning press briefing from 11 September 2007"। 10 Downing Street, Government of the United Kingdom। ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৭। ৪ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "History of 10 Downing Street"। UK। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ Dearden, Lizzie (৯ নভেম্বর ২০১৪)। "George Osborne's family cat Freya sent away from Downing Street to Kent"। The Independent। ২২ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫।